সূর্য, মাছরাঙা, আমিউত্তীর্ণ হয়েছে পাখী মদী সূর্যের অন্ধ আবেগেরদু’মুহূর্তে আনন্দের পরীক্ষার বুঝি।নিভে গেছে;- আমি কেন তবু সূর্য খুঁজি। তুমিজানি না কোথায়…
সে এক দেশ অনেক আগের শিশুলোকের থেকেসাগরগামী নদীর মত স্বরেআমার মনের ঘুঘুমরালহংসী ঝাউয়ের বনেআধো আলোছায়াচ্ছন্ন ভাবে মনে পড়েটিউটনের গল্পে ছড়ায়…
অনেক সময় পাড়ি দিয়ে আমি অবশেষে কোন এক বলয়িত পথে মানুষের হৃদয়ের প্রীতির মতন এক বিভাদেখেছি রাত্রির রঙে বিভাসিত হয়ে থেকে…
যেখানে রয়েছে আলো পাহাড় জলের সমবায়-তবুও সেখানে যদি আবিষ্কার করি প্যারাফিনঅনেক মাটির নীচে,- অথবা সেখানে যদি সংগ্রাম-বিলীনঅজস্র অস্পষ্ট মুণ্ড অনুকম্পা…
সূর্য কখন পশ্চিমে ঢ’লে মশালের মত ভেঙেলাল হয়ে উঠে সমুদ্দুরের ভিতরে নিভছে গিয়ে;সে যে রোজ নেভে সকলেই জানে, তবুআজো ডুবে…
সেইদিন এই মাঠ স্তব্ধহবে নাকো জানি—এই নদী নক্ষত্রের তলেসেদিনও দেখিবে স্বপ্ন—সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আ ঝরে !আমি চলে যাব…
অনেক বছর হ’ল সে কোথায় পৃথিবীর মনে মিশে আছে।জেগে থেকে কথা ব’লে অন্য নারীমুখ দেখে কেউ কোনোমতেকেবলি কঠিন ঋণ দীর্ঘকাল…
কার্তিকের ভোরবেলা কবেচোখে মুখে চুলের উপরেযে- শিশির ঝরলো তাশালিখ ঝরালো ব'লে ঝরে আমলকী গাছ ছুঁয়ে তিনটি শালিখকার্তিকের রোদে আর জলেআমারি হৃদয়…
বেলা বয়ে যায়গোধূলির মেঘ-সীমানায়ধূম্র মৌন সাঁঝেনিত্য নব দিবসের মৃতু্যঘন্টা বাজে!শতাব্দীর শবদেহে শ্মশানের ভষ্মবহ্নি জ্বলে!পান্থ ম্লান চিতার কবলেএকে একে ডুবে যায়…
হে হৃদয়, একদিন ছিলে তুমি নদীপারাপারহীন এক মোহনায় তরণীর ভিজে কাঠখুঁজিতেছে অন্ধকার স্তব্ধ মহোদধি।তোমার নির্জন পাল থেকে যদি মরণের জন্ম…