মাগো! প্রসন্নটা দুষ্টু এমন! খাচ্ছিল সে পরোটা গুড় মাখিয়ে আরাম ক’রে বসে – আমায় দেখে একটা দিল ,নয়কো তাও বড়টা, দুইখানা সেই আপনি খেল ক’ষে! তাইতে আমি কান ধরে তার একটুখানি পেঁচিয়ে কিল মেরেছি ‘হ্যাংলা ছেলে’ বলে- অম্নি কিনা মিথ্যা করে ষাঁড়ের মত চেচিয়ে গেল সে তার মায়ের কাছে চলে!
মাগো! এম্নিধারা শয়তানি তার, খেলতে গেলাম দুপুরে, বল্ল, ‘এখন খেলতে আমার মানা’- ঘন্টাখানেক পরেই দেখি দিব্যি ছাতের উপরে ওড়াচ্ছে তার সবুজ ঘুড়ি খানা। তাইতে আমি দৌড়ে গিয়ে ঢিল মেরে আর খুঁচিয়ে ঘুড়ির পেটে দিলাম করে ফুটো- আবার দেখ বুক ফুলিয়ে সটান মাথা উঁচিয়ে আনছে কিনে নতুন ঘুড়ি দুটো!