চোখ, চলে গিয়েছিল, অন্যের প্রেমিকা, তার পায়ে। যখন, অসাবধানে, সামান্যই উঠে গেছে শাড়ি— বাইরে নেমেছে বৃষ্টি। লন্ঠন নামানো আছে টেবিলের নীচে, অন্ধকারে মাঝে মাঝে ভেসে উঠেছে লুকোনো পায়ের ফর্সা আভা…
অন্যায় চোখের নয়। না তাকিয়ে তার কোনো উপায় ছিল না। সত্যিই ছিল না? কেন?—হুহু করে বৃষ্টিছাট ঢুকে আসে ঘরে সত্যিই ছিল না? কেন?—কাঁটাতারে ঝাঁপায় ফুলগাছ সত্যিই ছিল না? কেন?—অনধিকারীর সামনে থেকে
সমস্ত লুকিয়ে নেয় নকশা-কাটা লেসের ঝালর… এখন থেমেছে বৃষ্টি। এখন এ-ঘর থেকে উঠে গেছে সেও। শুধু, ফিরে আসছে হাওয়া। শুধু, এক অক্ষমের চোখের মতন মাঝে মাঝে কেঁপে উঠছে টেবিলের তলার লন্ঠন।