তপনের তাপে তাপি পথিক যেমতি পড়ে গিয়া দড়ে রড়ে ছায়ার চরণে ; তৃষাতুর জন যথা হেরি জলবতী নদীরে, তাহার পানে ধায় ব্যগ্ৰ মনে পিপাসা-নাশের আশে ; এ দাস তেমতি, জ্বলে যবে প্রাণ তার দুঃখের জ্বলনে, ধরে রাঙা পা দুখানি, দেবি সরস্বতি!— মার কোল-সম, মা গো, এ তিন ভুবনে আছে কি আশ্রম আর ? নয়নের জলে ভাসে শিশু যবে, কে সাম্ভনে তারে ? কে মোচে আঁখির জল অমনি আঁচলে ? কে তার মনের খেদ নিবারিতে পারে, মধুমাখা কথা কয়ে, স্নেহের কৌশলে ?— এই ভাবি, কৃপাময়ি, ভাবি গো তোমারে!